প্রচ্ছদ > জেনে নিন > মোবাইলে জরুরি সেবা
মোবাইলে জরুরি সেবা

মোবাইলে জরুরি সেবা

মোবাইল শুধু এখন কেবল ফোন কল করার যন্ত্র নয়! এখন এটি অনেক কাজের কাজি। মুঠোফোনের মাধ্যমেই পেতে পারেন অনেক জরুরি সেবা। প্রাত্যহিক জীবনে কাজে লাগে এমন কিছু সুবিধা নিয়েই এই ফিচার আয়োজন

 

ভেহিকল ট্র্যাকিং

ভেহিকল ট্র্যাকিং জিপিআরএসভিত্তিক একটি সার্ভিস; যা ওয়েব বা এসএমএসের মাধ্যমে যানবাহনের মালিককে অথবা অনুমোদিত ব্যক্তিকে যেকোনো সময় বাহনটির অবস্থান জানিয়ে দেবে। যানবাহনের অবস্থান জানার পাশাপাশি গাড়ির মালিক প্রয়োজনে গাড়িটি চলাকালে এর গতিসীমা, অননুমোদিত যাত্রাপথ ইত্যাদি নির্ধারণ করতে পারেন। এর বাইরে সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে গাড়ির নিরাপত্তাবিষয়ক বিভিন্ন সার্ভিসও উপভোগ করা যায়, যেমন গাড়ি প্রয়োজনে বন্ধ করে দেওয়া, প্যানিক অ্যালার্ম ইত্যাদি। গাড়ির মালিক প্রয়োজনে জেনে নিতে পারেন যে গাড়ির ইগনিশন অন করা আছে নাকি অফ, গাড়িটি চলছে, নাকি কোথাও দাঁড়িয়ে আছে। এখন তাই গাড়ি যখন যেখানে যে অবস্থায়ই থাকুক না কেন, গাড়ির মালিক তা জেনে যাবেন এবং প্রয়োজনে নিয়ন্ত্রণ করবেন ফোনের মাধ্যমেই। আর এসব সুবিধা পাওয়া যাবে গ্রামীণফোন আর বাংলালিংকে। গ্রামীণফোন ভোক্তারা বিস্তারিত জানার জন্য যেতে পারেন এই ঠিকানায় http://goo.gl/WeH9uh আর বাংলালিংক ভোক্তারা এই ঠিকানায় http://goo.gl/VuEMT। ঢাকা ও চট্টগ্রামের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় এই পদ্ধতিটি যানবাহনে ইনস্টল করা হচ্ছে।

 

বাডি ট্র্যাকার

গ্রামীণফোনের ‘জিপি বাডি ট্র্যাকার’-এর মাধ্যমে আমরা যেকোনো সময় সহজেই জেনে যেতে পারি যে আমাদের বন্ধু ও পরিবারের সদস্যরা কে কোথায় আছে। আর এ সার্ভিসটি উপভোগ করা যাবে ২.৩০ টাকা/১০০ এসএমএস রেটে, পরবর্তী প্রতি এসএমএসের জন্য ২.৩০ টাকা। প্রিয়জনের অবস্থান জানার জন্য টাইপ করুন locate <স্পেস> প্রিয়জনের নম্বর <প্রিয়জনের নাম> আর পাঠিয়ে দিন ৩০২০ নম্বরে। ফিরতি এসএমএস জানিয়ে দেবে প্রিয়জনের অবস্থান! তবে এ সার্ভিস উপভোগ করার আগে বাডি ট্র্যাকার সার্ভিসে নিবন্ধন করাতে হবে। সার্ভিসটি চালু করার জন্য টাইপ করুন start <স্পেস> আপনার নাম আর পাঠিয়ে দিন ৩০২০ নম্বরে। এ ক্ষেত্রে আপনার প্রিয়জনকে আপনার পাঠানো ট্র্যাকিং রিকোয়েস্ট অ্যাকসেপ্ট করতে হবে। নিজের অবস্থানও জানা যাবে এই সেবার মাধ্যমে।

 

মোবাইল ক্যাশ রেমিট্যান্স সার্ভিস

ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড ও ইস্টার্ন ব্যাংকের সঙ্গে বাংলালিংক যৌথভাবে চালু করেছে ‘মোবাইল ক্যাশ রেমিট্যান্স সার্ভিস’। নির্দিষ্ট বাংলালিংক মোবাইল ক্যাশ পয়েন্টে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ওপেনিং ফরম জমা দিয়ে গ্রাহক ঢাকা ব্যাংক কিংবা ইস্টার্ন ব্যাংকের মোবাইল ক্যাশ অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন। মোবাইল ক্যাশ অ্যাকাউন্টধারী কোনো গ্রাহক সরাসরি তাঁর মোবাইলে রেমিট্যান্স গ্রহণ করতে পারবেন। গ্রাহকের যদি বাংলালিংক মোবাইল নম্বর নাও থাকে তবুও প্রেরকের পাঠানো একটি ইউনিক ও নিরাপদ নম্বরের মাধ্যমে রেমিট্যান্স গ্রহণ করতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে গ্রাহককে রেফারেন্স নম্বর ও ব্যাংক নম্বরসহ নির্দিষ্ট বাংলালিংক মোবাইল ক্যাশ পয়েন্টে গিয়ে টাকা ওঠাতে হবে।
এ ছাড়া ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন ও ঢাকা ব্যাংক লিমিটেডের সঙ্গে বাংলালিংক যৌথভাবে চালু করেছে ‘মোবাইল ক্যাশ রেমিট্যান্স সার্ভিস’।

 

ট্রাভেল গাইড

‘বাংলালিংক ট্রাভেল গাইড’ সেবার মধ্য দিয়ে বাংলালিংক গ্রাহকরা মোবাইলে পাবেন বাংলাদেশের যেকোনো জায়গার ভ্রমণসংক্রান্ত সব ধরনের তথ্য। ৭০৭ নম্বরে ডায়াল করে বাংলাদেশের যেকোনো দর্শনীয় স্থানে যাওয়ার যানবাহন, ফুড অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, থাকার জায়গা, ট্যুরিস্ট স্পট, সাংস্কৃতিক ও বিভিন্ন উৎসবের ইভেন্ট, সপেশাল ট্যুর প্যাকেজ ও লোকাল ট্যুর প্যাকেজ সম্পর্কে জানা যাবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এই সেবা পাওয়া যাবে। আর এই সেবা পেতে প্রিপেইড ও পোস্টপেইড গ্রাহকদের ০.৮৩ টাকা/১০ সেকেন্ড ও বাংলালিংক এসএমই প্যাকেজের জন্য ০.৩৩ টাকা/১০ সেকেন্ড চার্জ প্রযোজ্য হবে। এ ছাড়া এয়ারটেলের ভ্রমণসংক্রান্ত মোবাইলসেবা হচ্ছে ‘ট্রাভেল ব্যাগ’। এটির সাহায্যে এয়ারটেল গ্রাহকরা ৬৯৯৯ শর্টকোড ডায়াল করে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ট্যুরিস্ট স্পট সমপর্কে সর্বশেষ তথ্য জানতে পারবেন। অভ্যন্তরীণ ভ্রমণ সহায়তাসেবায় জানা যাবে পিকনিক স্পট, পর্যটন স্পট ও অবকাশ যাপনকেন্দ্রের তথ্য। এ ছাড়া বিদেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রে ভারত, নেপাল, ব্যাংকক, মালয়েশিয়ার ভ্রমণ সম্পর্কিত তথ্যও জানা যাবে। ৬৯৯৯ নম্বরে ডায়াল করলে রেকর্ড করা এসব টিপস, জনপ্রিয় স্থানের তথ্য ও বিষয়বস্তু শুনতে পারবেন গ্রাহকরা। আর এ জন্য গ্রাহককে প্রতি ১০ সেকেন্ড ৩৮ পয়সা করে গুনতে হবে।

 

জরুরি তথ্যসেবা

এয়ারটেল জরুরি সেবার আওতায় হাসপাতাল, ব্লাড ব্যাংক, পুলিশ স্টেশন, ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স ও ইয়েলো পেইজ ডিরেক্টরি সেবা পাওয়া যায়। এসব সেবায় প্রতিটি এসএমএসের জন্য ২.৩০ টাকা চার্জ প্রয়োজ্য হবে। হাসপাতাল সেবা পেতে গ্রাহককে ‘hospdivisioncategory’ লিখে ২২৩৩ নম্বরে পাঠাতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিভাগগুলোর শর্টকোড হলো dhk, ctg, khl, syl, jes, raj, brs। ব্লাড ব্যাংক তথ্য পেতে New SMS-এ যান এবং ‘bbank/bloodbank’ টাইপ করে পাঠিয়ে দিন ২২৩৩ নম্বরে। ইমারজেন্সি টেলিফোন নম্বর পেতে টাইপ করুন ’emrgdivisioncategory’ এবং পাঠিয়ে দিন ২২৩৩ নম্বরে। ফায়ার সার্ভিসের জরুরি টেলিফোন নম্বর পেতে ’emrgdivision category’ লিখে একই নম্বরে পাঠাতে হবে। অ্যাম্বুল্যান্সের জরুরি টেলিফোন নম্বর পেতে টাইপ করুন ’emrgdivisioncategory’ এবং পাঠিয়ে দিন ২২৩৩ নম্বরে। এ ছাড়া ‘ইয়েলো পেইজ ডিরেক্টরি সার্ভিস’-এর মাধ্যমে নতুন ঠিকানা খুঁজে পেতে আর কোনো সমস্যা হবে না। আপনার কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠান, হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও অন্যান্য ঠিকানা খুঁজে পেতে কল করুন শর্টকোড ২৭২৭-এ। ইয়েলো পেইজের প্রতিনিধিরা কলের উত্তর দেবেন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সাহায্য করবেন। এয়ারটেলের মতো রবিরও জরুরি সেবা রয়েছে। ভয়েস শর্টকোডের মাধ্যমে এই সেবা পাওয়া যাবে। এসবের মধ্যে আছে ব্যাকিংসেবা, হাসপাতাল হেল্পলাইনসেবা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হেল্পলাইনসেবা। এ ক্ষেত্রে চার্জ প্রতি ১০ সেকেন্ড ৩৩ পয়সা।

 

মোবাইলে বীমাসেবা

রবি দিচ্ছে মোবাইলভিত্তিক বীমাসেবা ‘বীমা ইসলামিক লাইফ ইনস্যুরেন্স’। এটি জীবন বীমা পলিসি। রবি প্রিপেইড গ্রাহকরা এই অফারের জন্য নিবন্ধন করলে এই সুবিধাটি পাবেন বিনা মূল্যে। প্রত্যেক নিবন্ধিত রবি গ্রাহক তাঁর এয়ারটাইম ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে প্রত্যেক ক্যালেন্ডার মাসে এই ইনস্যুরেন্স সুবিধা পাবেন। ইনস্যুরেন্স পলিসিটি প্রাইম ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্সের সহায়তায় পরিচালিত। দুটি উপায়ের যেকোনো একটির মাধ্যমে গ্রাহক বীমা লাইফ ইনস্যুরেন্সের জন্য নিবন্ধন করতে পারেন। প্রথমত, হ্যান্ডসেট থেকে *১২১৬*১# ডায়াল করে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করে। দ্বিতীয়ত রবির ডাব্লিউআইসি ভিজিট করতে পারেন, যেখানে রবি/বীমা এজেন্ট আপনার নিবন্ধনে সাহায্য করবে।
বাংলালিংক গ্রাহকরা তাঁদের মোবাইল থেকে ‘জীবন বীমা’র মাসিক কিস্তি দিতে পারবেন। এ জন্য তাঁদের *৭৭৭# ডায়াল করতে হবে।

 

স্টক তথ্য

‘রবি স্টক তথ্য’ হচ্ছে মোবাইল ফোনভিত্তিক সেবা; যার মাধ্যমে রবি গ্রাহকরা ডিএসই ও সিএসইর তথ্য জানতে পারবেন। এ ছাড়া গ্রাহকরা ডিএসই ও সিএসই উভয় প্রতিষ্ঠানের চলতি মূল্য, সর্বোচ্চ মূল্য, সর্বনিম্ন মূল্য, মোট মূল্য ও মোট ট্রেড (বেচাকেনা) সংখ্যা, ইনডেক্স, দৈনিক ও সাপ্তাহিক গ্রাফ, বাজারের অবস্থা (পাঁচটি সর্বাধিক লাভবান/ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান), সংবাদ, আইপিওর ফলাফল, অ্যালার্ট ও ফিডব্যাক পাবেন। এ জন্য প্রতি ১৫ দিনে ৭৫ টাকা চার্জ প্রযোজ্য। এ ছাড়া স্বাভাবিক এসএমএস চার্জ দুই টাকা ও ডাটা ব্রাউজিং চার্জ .০১৫ টাকা প্রযোজ্য। এসএমএসের মাধ্যমে এই সেবা পেতে REG লিখে ৬৪৬৪ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।

 

ইন্টারনেট এসএমএস সেবা

ইন্টারনেট ব্যবহার করে টেলিটকের ওয়েবসাইট থেকে যেকোনো মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠানোর ব্যবস্থাই হচ্ছে ‘ইন্টারনেট এসএমএস সার্ভিস’। এভাবে এসএমএস পাঠানোর জন্য reg লিখে ৪৭৬৭ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে পাসওয়ার্ড পাওয়া যাবে, যেটি ব্যবহার করে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এসএমএস পাঠাতে হয়। প্রতি ক্রেডিটের মূল্য ১০ টাকা এবং একটি ক্রেডিট ব্যবহার করে ১০টি এসএমএস পাঠানো যায়।
টেলিটকের মতো সিটিসেলেরও আছে ইন্টারনেট এসএমএসসেবা। এই সেবার মাধ্যমে জি-মেইল থেকে সিটিসেল নম্বরে বিনা মূল্যে এসএমএস পাঠানো যায়। সেবাটি ব্যবহার করার জন্য প্রথমে জি-মেইলে লগ-ইন করতে হবে। জি-মেইলের পাশে Chat and SMS নামে একটি নতুন মেন্যু যুক্ত হয়েছে, অপশনটির নিচে একটি বক্স রয়েছে, যেখানে আপনার এসএমএসটি লেখা যাবে। নম্বরের ঘরে কাঙ্ক্ষিত সিটিসেল নম্বরটি লিখে Send SMS-এ ক্লিক করুন। নম্বরটি সংরক্ষণের জন্য Contact name : অপশন আসবে, কার নম্বর সেটি এখানে লিখতে হবে, Save-এ ক্লিক করতে হবে। ডান দিকে নিচে একটি বক্স আসবে, যেখানে আপনার প্রয়োজনীয় টেক্সট লিখে কিবোর্ড থেকে Enter প্রেস করতে হবে। এবার টেক্সটটি নির্দিষ্ট নম্বরে চলে যাবে। তবে ওই নম্বরের মালিক আপনার কাছ থেকে এ ধরনের এসএমএস পরে আরো পেতে চান কি না সে সম্মতি লাগবে। এ জন্য নম্বরের মালিককে প্রথম মেসেজের অবশ্যই কোনো না কোনো রিপ্লাই দিতে হবে। পরে ওই নম্বরে যত খুশি এসএমএস পাঠাতে পারবেন।

 

বিল দেওয়া ও কার্ড কেনা

সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক ও এইচএসবিসি ব্যাংকের অনলাইনব্যবস্থায় টেলিটকের পোস্টপেইড গ্রাহকরা বিল দিতে পারেন। এ ছাড়া বাজারে ৩০, ৫০, ১০০, ৩০০ ও এক হাজার টাকার যেসব স্ক্র্যাচ কার্ড পাওয়া যায়, সেগুলো ব্যবহার করেও বিল দেওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে টেলিটক মনোনীত নিকটস্থ যেকোনো দোকানে ১০ টাকা থেকে শুরু করে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত রিচার্জ করা যায়। www.paypoint.com.bd সাইটের মাধ্যমে ভিসা কার্ড ব্যবহার করেও টেলিটক প্রিপেইড ফোন রিচার্জ করা যায়।
বিল পরিশোধের জন্য রবির আছে ‘অর্থ’সেবা। এই সেবা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আপনার ইউটিলিটি বিল (বর্তমানে কেবল বৃহত্তর ঢাকা অঞ্চলের ওয়াসার পানি ও পয়োনিষ্কাশন বিল) পরিশোধে সাহায্য করবে। রবি অর্থ লোগো চিহ্নিত পয়েন্ট/পিওএস (ঢাকা অঞ্চলে প্রায় ১৫০টি পয়েন্ট/পিওএস) থেকে আপনার পানি ও পয়োনিষ্কাশন বিল পরিশোধ করতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে ১২৩ অথবা ৮৯৮৯ নম্বরে ডায়াল করতে হবে।
বিদ্যুৎ ও পানির বিল জমা দেওয়ার জন্য ব্যাংকে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার বিরক্তিকর পরিস্থিতি এড়াতে সিটিসেলের রয়েছে ‘মানিব্যাগ’সেবা। সিটিসেলের মানিব্যাগ চিহ্নিত সেবাকেন্দ্র থেকে যে কেউ ও যেকোনো মোবাইল অপারেটরের গ্রাহক কম খরচে এ সেবা নিতে পারবেন।

Share and Enjoy !

0Shares
0 0

Comments

comments

Comments are closed.