প্রচ্ছদ > কেনাকাটা > এ বছরের সেরা ১০ বাইসাইকেল
এ বছরের সেরা ১০ বাইসাইকেল

এ বছরের সেরা ১০ বাইসাইকেল

মূলত দু’চাকার যান সাইকেল। যদিও এখন শুধু দু’চাকাতেই সীমাবদ্ধ নেই এ বাহনটি। রয়েছে তিন বা চার চাকা এমনকি, এক চাকারও সাইকেল।
যুগের সঙ্গে সঙ্গে সাইকেলের ডিজাইনে নতুনত্ব তো এসেছেই, সঙ্গে সাইকেল তৈরির উপকরণেও এসেছে ভিন্নতা।
ফোল্ডেবল বাইক: হেলিক্স
অত্যাধুনিক এই ফোল্ডিং বাইসাইকেলটি কানাডার টরেন্টোতে তৈরি। সাইকেলটি ভাঁজ কারার পর এর আকার হয় সাইকেলের একটি চাকার সমান। রূপালি ফ্রেমের এ সাইকেলটির ওজন প্রায় দশ কেজি। বিশেষত্ব অনুযায়ী এর দাম এক হাজার তিনশ’ ডলার থেকে এক হাজার সাতশ’ ডলার পর্যন্ত। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় এক লাখ দুই হাজার থেকে এক লাখ ৩৩ হাজার টাকা।


রেসিং বাইক: ক্যানিয়ন সিডম্যাক্স ডব্লিউএইচআর
সাইকেলটি এক ঘণ্টায় যেতে পারে ৫৩ কিলোমিটার। সাদা ফ্রেমের এই রেসিং বাইকটি তৈরি হয়েছে জার্মানে।

কাঠের বাইক: মাতেও জুগনিওনিস উবি
কাঠের তৈরি এই সাইকেলের ধরন অনুযায়ী এর দামের পার্থক্য রয়েছে। প্লাইউডের তৈরি ব্যালেন্স বাইকের দাম ৯০ ডলার অর্থাৎ, বাংলাদেশি টাকায় সাত হাজার টাকা। আবার স্টিম-বেন্ট বিচউডে তৈরি সাইকেলের দাম ৭০ হাজার ডলার। যার বাংলাদেশি মূল্য প্রায় সাড়ে ৫৪ লাখ। এসব ছাড়াও রয়েছে ওয়ালনাট, রোজউডসহ আরও অনেক রকম কাঠের সাইকেল। চমৎকার রঙের সংমিশ্রণের এসব সাইকেলের নির্মাণস্থল ইতালি।


বাঁশের বাইসাইকেল: ব্যামবো বি
টেকসই মজবুত ব্যামবো বি সাইকেলটি তৈরি হয়েছে সিঙ্গাপুরে। এর মূল্য এক হাজার চারশ’ ৯৯ ডলার থেকে তিন হাজার তিনশ’ ৯৯ ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় এক লাখ ১৭ হাজার থেকে ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা।


এক্সোটিক বাইক: স্পা বাইসাইক্লিটো
গ্লোসি কার্বন ফ্রেমের এই বাইসাইকেলের ওজন প্রায় ২৪ কেজি। ইলেক্ট্রিক এ সাইকেলটি ঘণ্টায় যেতে পারে ৪৫ কিলোমিটার। ইতালিতে নির্মিত এক্সোটিক বাইকটির দাম ১১ হাজার ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় আট লাখ ৬০ হাজার।


হাফবাইক ২
এক চাকাবিশিষ্ট অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেমের বাইসাইকেলটি তৈরি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। প্লাইউডের হ্যান্ডেলবার ভাঁজ করে সাইকেলটিকে পাবলিক ট্রান্সপোর্টে করেও নিয়ে যাওয়া যাবে। এর ওজন প্রায় সাড়ে আট কেজি। আর এর মূল্য পাঁচশ’ ৯৯ ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় পড়বে প্রায় ৪৭ হাজার টাকা।


শহুরে বাইক: ফোর্ড মোড: প্রো
কুরিয়ার, ইলেক্ট্রিশিয়ান ও সার্ভিস প্রোভাইডারদের সুবিধার্থে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি করা হয়েছে আধুনিক মডেলের এ বাইকটি। দুইশ’ ওয়াটের মোটরচালিত এই বাইকের হাতলে রয়েছে স্বংয়ক্রিয় নিরাপত্তা কারিগরি। যা অন্য কোনো গাড়ি কাছে এলেই তা ভাইব্রেশনের মাধ্যমে চালককে জানান দেয়।


বক্সার রকেট
পথে যেতে যেতে ফোনের চার্জ শেষ হয়ে গেছে? বক্সার রকেট যদি হয় আপনার সঙ্গী তবে চিন্তা কি? সিলভার ও লালরঙের এই সাইকেলটির ভেতরে রয়েছে ই‌উএসবি চার্জিং পোর্ট। যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত এই সাইকেলটির ম‍ূল্য সাত হাজার আটশ’ ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় ছয় লাখ ৭০ হাজার।


কার্গো বাইক: ভেলোভ আর্মাডিলো
চার চাকা বিশিষ্ট ভেলোভ বাইক একদিনে প্রায় একশ’ ৩০ কেজি মালামাল বহন করে যেতে পারে ৩০ মাইল পর্যন্ত। এই বাইকটি তৈরি হয়েছে সুইডেনে।


ভেলোমোবাইল
বলা যেতে পারে এটি পেট্রোলবিহীন গাড়ি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির জ্যাপেলিনের মতো দেখতে গাড়িটি তৈরি হয়েছে  যুক্তরাষ্ট্রে। টুকটুকে লাল এই যানবাহনের ভেতরে রয়েছে দুটি সিট। যেখানে চালকেরা প্যাডেল করে পৌঁছাতে পারবেন নিজ গন্তব্যে।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

Comments

comments

Comments are closed.