প্রচ্ছদ > বিনোদন > আনন্দালোকে > পয়লা বৈশাখে যত অায়োজন
পয়লা বৈশাখে যত অায়োজন

পয়লা বৈশাখে যত অায়োজন

নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাংলা নতুন বছরকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত পুরো দেশ। জেনে নিন কোথায় কোন আয়োজন-

বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও দিনটিকে জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালনের প্রস্তুতি নিয়েছে।
সোমবার ভোর ৬টা থেকে রমনার বটমূলে শুরু হবে ছায়ানটের বর্ষবরণ উৎসব, নগরে বর্ষবরণের অনুষঙ্গ হিসেবে যা পরিচিত।
সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে মঙ্গল শোভাযাত্রা। চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হয়ে শোভাযাত্রাটি শাহবাগ ও রূপসী বাংলা মোড় ঘুরে টিএসসি হয়ে আবার চারুকলা অনুষদে শেষ হবে।
চারুকলা অনুষদের শিক্ষক অধ্যাপক নিসার হোসেন জানান, এবারের শোভাযাত্রায় হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের দুঃসময়ের কাণ্ডারির প্রতীক হিসেবে ‘গাজী ও বাঘ’, সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে লক্ষ্মীপেঁচা, শিশু হরিণ, মা ও শিশু, হাঁস ও মাছের ঝাঁক, লোক ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে বিড়ালের মুখে চিংড়ি, শখের হাঁড়ি তুলে ধরা হবে।
এছাড়া বাঘের দুটি বড় মুখোশ, ময়ূর, ১০টা ছোট পাখি, প্রায় এক হাজার কাগজের ছোট মুখোশ, ১০০টি বড় মুখোশও শোভাযাত্রায় স্থান পাবে।
শাহবাগে ঢাকা শিশু পার্কের সামনে এবং ধানমণ্ডির রবীন্দ্র সরোবরেও অনুষ্ঠান থাকছে বরাবরের মতোই।
বাংলা নববর্ষের তাৎপর্য তুলে ধরে এদিন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও বাংলা একাডেমি বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে।
বাংলা নববর্ষ উদযাপনে বিভাগীয় শহর এবং ৫৭টি জেলা সদরে (বিভাগীয় সদর ব্যতীত) ও সব উপজেলায় (সদর উপজেলা ব্যতীত) সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ আলোচনা সভা ও গ্রামীণ মেলার আয়োজন করবে স্থানীয় প্রশাসন।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি করবে তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা।
বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, বাংলা একাডেমি, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটগুলো ও বিসিক নানা অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করবে।
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন আয়োজন করবে ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা।
নববর্ষ উপলক্ষে সকল কারাগার, হাসপাতাল ও শিশু পরিবারে (এতিমখানা) উন্নতমানের ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবারের ব্যবস্থা করা হবে। শিশু পরিবারের শিশুদের নিয়ে ও কারাবন্দীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে এবং কয়েদিদের তৈরি বিভিন্ন দ্রব্য প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হবে।
সব জাদুঘর ও প্রত্নস্থান সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে (শিশু-কিশোর, প্রতিবন্ধী ও ছাত্র-ছাত্রীদের বিনা টিকেটে)।

Comments

comments

Comments are closed.