প্রচ্ছদ > পরিবহন > ট্রেন সার্ভিস > ঢাকায় মেট্রোরেল ২০১৯ সালেই
ঢাকায় মেট্রোরেল ২০১৯ সালেই

ঢাকায় মেট্রোরেল ২০১৯ সালেই

পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের আগে ২০১৯ সালেই যুক্ত হতে যাচ্ছে মেট্রোরেল।  ২০২০ সালের মধ্যেই রাজধানীতে পুরোদমে মেট্রোরেল চালু করবে সরকার। প্রাথমিকভাবে উত্তরা থেকে আগারগাঁও এবং পরে মতিঝিল পর্যন্ত চলবে এ রেল। ২০ দশমিক এক কিলোমিটার দীর্ঘ এ রেলসেবা পাতাল নয়, উড়াল পথেই নির্মিত হবে। এ জন্য ইতিমধ্যে নির্মিতব্য এলাকার স্থান বৃত্তান্ত এবং চলাচল সম্পর্কিত জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। মেট্রোরেল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) ও পরিচালনা করবে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।
প্রকল্প টিএমআরটিডিপি পরিচালক মো. মোফাজ্জেল হোসেন বলেন, ২০২৪ সালের জুনে মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ২০১৯ সালের মধ্যেই ঢাকায় আংশিকভাবে মেট্রোরেল চলবে। ২০২০ সালের মধ্যে পরিকল্পনা অনুযায়ী মেট্রোরেল পুরোপুরি চালু করা যাবে। প্রকল্প ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি ৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকার  দেবে ৫ হাজার ৩৯০ কোটি ৪৮ লাখ টাকা ও জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা) দেবে ১৬ হাজার ৫৯৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। তিনি জানান, মেট্রোরেলের ডিপো উত্তরায় স্থাপন করা হবে। ২০১৯ সালে উত্তরা (উত্তর) থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত রেলসংযোগ চালু করা হবে। ২০২০ সালের মধ্যেই প্রকল্প-পরিকল্পনা অনুযায়ী মতিঝিল পর্যন্ত রেলসংযোগ চালু করা সম্ভব হবে। মেট্রোরেলটি পুরোপুরি চালু হলে ২০২০ সাল থেকে প্রতিদিন ৪ লাখ ৮৩ হাজার যাত্রী, ২০২৬ সালে ৫ লাখ ৮৩ হাজার এবং ২০৫১ সালে ১৩ লাখ যাত্রী সেবার আওতায় আসবেন।
বিদ্যমান সড়কের উপরেই উড়ালপথে মেট্রোরেল পথ নির্মাণ করা হবে। ভূমির ওপর শুধু সাবস্টেশন বা ডিপোগুলো স্থাপন করা হবে। রেলে চড়ার জন্য প্রতিবন্ধী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়ন ও পরিচালনায় আধুনিক পদ্ধতি-ব্যবস্থাপনা অনুসরণ করা হবে। যাত্রীরাও হয়রানি ছাড়া কম খরচে ভ্রমণ করতে পারবেন। তবে যাত্রী ভাড়া এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।
অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক মাহবুবুল আলম জানান, প্রকল্পের কাজ দ্রুত ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করার জন্য কাজের ধরন অনুযায়ী অন্তত আটটি পৃথক ঠিকাদার নিয়োগ করা হবে। সব ধরনের কাজ একসঙ্গে পরিচালিত হবে। এর ফলে পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে নির্দিষ্ট অগ্রগতি অর্জন করা যাবে। তিনি জানান, মেট্রোরেলটি ১৬টি সাবস্টেশনে থামবে। এগুলো হলো উত্তরা (উত্তর), উত্তরা  (সেন্টার), উত্তরা (দক্ষিণ), পল্লবী, মিরপুর ১১, মিরপুর ১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, আগারগাঁও, বিজয় সরণী, ফার্মগেট, কাওরান বাজার, শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি, প্রেসক্লাব ও মতিঝিল।

Comments

comments

Comments are closed.