প্রচ্ছদ > জেনে নিন > মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করতে চাইলে
মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করতে চাইলে

মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করতে চাইলে

হাতে লেখা পাসপোর্টের বদলে বাংলাদেশে ১ এপ্রিল ২০১০ সাল থেকে চালু হয়েছে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট। যার সংক্ষিপ্ত নাম হচ্ছে এমআরপি। আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) নীতিমালা অনুযায়ী মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট চালু করার বাধ্যবাধকতা হয়। পুরনো হাতে লেখা পাসপোর্ট আর বর্তমান নতুন মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের মধ্যে পার্থক্য অনেক। কিন্তু খালি চোখে দেখলে একটি পাতার পরিবর্তন ছাড়া তেমন কিছু পরিলক্ষিত হবে না। একটি পাতার পার্থক্যের কারণ হচ্ছে আগের পাসপোর্টগুলোতে সকল তথ্য হাতে লিখে সন্নিবেশন করা হতো। কিন্তু মেশিন রিডেবল পাসপোর্টে বিশেষ একটি পাতার মধ্যে একজন মানুষের প্রয়োজনীয় তথ্যের সবকিছুই যন্ত্রের সাহায্যে সংযোজন করা হয়েছে। যেগুলোর অধিকাংশই খালি চোখে দেখা বা পড়া যায় না। কিন্তু কম্পিউটারের সাহায্যে এসব তথ্যের বিস্তারিত জানা যায়। মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট চালু করা হলেও যাদের হাতে লেখা পাসপোর্টের মেয়াদ ২০১৫ সাল পর্যন্ত আছে তাদেরকে আপাতত নতুন পাসপোর্ট না নিলেও চলবে। তবে ২০১৫ সালের ভেতরে অবশ্যই নতুন মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট নিতে হবে।
অনেকের পুরনো পাসপোর্ট বিভিন্ন দেশে যাওয়ার যে ভিসা সিল আছে সেগুলো নতুন পাসপোর্টে সংযোজন করা যাবে না। তবে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট প্রকল্পের কর্মকর্তারা জানান, নতুন পাসপোর্টের সঙ্গে পুরনো পাসপোর্টটি ব্যবহার করা যাবে। কারণ পুরনো পাসপোর্টের নম্বর এবং নতুন পাসপোর্টের নম্বর একই থাকবে। ফলে নতুন পাসপোর্ট দিয়ে কোন দেশে যাওয়ার জন্য ভিসা আবেদন করলে সেই আবেদনের সঙ্গে পুরনো পাসপোর্টটিও ডকুমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। যেখানে অনেকের বিভিন্ন দেশের ভিসা সিল রয়েছে। আর যাদের পাসপোর্ট আছে অথচ কোন দেশে যাওয়া হয়নি তাদের জন্য পুরনো পাসপোর্ট কোনো কাজে আসবে না।

আবেদন করতে হবে যেভাবে
মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) আবেদনের ফরমটি আগেরটির চেয়ে একটু ভিন্ন ধরনের। চার পৃষ্ঠার এ আবেদনপত্রে আবেদনকারীকে নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম, বাবা-মায়ের পেশা, জাতীয়তা, জন্মস্থল, জন্ম সনদ নম্বর, জন্ম তারিখ, জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, বর্তমান ঠিকানা, স্থায়ী ঠিকানা ইত্যাদি তথ্য দিতে হবে। এছাড়া আবেদনকারীকে একটি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি ফরমে আঠা দিয়ে লাগিয়ে সত্যায়িত করতে হবে। সত্যায়িত এমনভাবে হতে হবে যেন ছবি এবং ফরমের উভয় অংশে সমানভাবে সত্যায়নকারীর স্বাক্ষর থাকে। সবশেষে আবেদনকারীকে নির্দিষ্ট জায়গায় স্বাক্ষর ও তারিখ লিখতে হবে। আবেদন ফরম বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট www.dip.gov.bd থেকে বিনামূল্যে সংগ্রহ করা যাবে। এ ছাড়াও ঢাকাসহ সারাদেশে ১০টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকেও বিনামূল্যে এই ফরম সংগ্রহ করা যাবে। আবেদনপত্র যেভাবেই করা হোক না কেন তা অবশ্যই হাতে লিখে পূরণ করতে হবে।

দরকারি কাগজ ও খরচ
মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদপত্র না থাকলে পাসপোর্ট ইস্যু করা হয় না। পূরণকৃত আবেদন ফরমের সঙ্গে নির্দিষ্ট জায়গায় ছবি লাগিয়ে দিতে হবে আঠা দিয়ে। জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, জন্ম সনদপত্রের ফটোকপি লাগবে। অপ্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের একটি করে রঙিন ছবি লাগবে। নতুন পাসপোর্টের ক্ষেত্রে সাধারণ পাসপোর্ট নিতে লাগবে ৩ হাজার টাকা। আর জরুরি পাসপোর্টের জন্য লাগবে ৬ হাজার টাকা। সোনালী ব্যাংকের নির্ধারিত শাখায় টাকা জমা দিয়ে রসিদ নিতে হবে।

আবেদন জমা ও পাসপোর্ট গ্রহণ
সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করলে তা ৩০ দিনের মধ্যে পাওয়া যাবে। আর জরুরি পাসপোর্টের জন্য আবেদন করলে ১৫ দিনের মধ্যে পাওয়া যাবে। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে ১-২ দিনের মধ্যেও পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়। এর জন্য আলাদা কোনো টাকার প্রয়োজন হয় না।
আবেদনপত্র জমা দেয়ার সময় সোনালী ব্যাংকের নির্ধারিত শাখায় টাকা জমা দিয়ে রসিদটি আঠা দিয়ে আবেদনপত্রে লাগাতে হবে। ছবি সত্যায়িত জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপিগুলোকেও সত্যায়িত করে দিতে হবে।
কারো যদি জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকে তাহলে পাসপোর্ট ফরমের তৃতীয় পৃষ্ঠায় নির্দিষ্টস্থানে বসবাসরত এলাকায় জনপ্রতিনিধি দ্বারা প্রত্যয়ন করিয়ে নিতে হবে। আবেদন পাওয়ার পর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অঞ্চলের কর্মকর্তারা আবেদনটি প্রাথমিক যাচাই করে বাছাই করেন।
এরপর একটি টোকেনসহ আবেদনকারীকে আরেকজন কর্মকর্তার কাছে যেতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের মতো করে ছবি তোলা হবে। ইলেকট্রনিক স্বাক্ষর দিতে হবে। এ স্বাক্ষর আবেদনপত্রের স্বাক্ষরের মতো একইভাবে দিতে হবে। দুই হাতের চারটি আঙ্গুলের ছাপ দিতে হবে ইলেক্ট্রিক মেশিনে। সবশেষে পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য টোকেন প্রদান করা হবে যা পাসপোর্ট ডেলিভারি দেয়ার নির্ধারিত তারিখে জমা দিয়ে পাসপোর্ট নিতে হবে।

নতুন পাসপোর্ট
মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের মধ্যে একটি পাতায় পাসপোর্ট বাহকের ব্যক্তিগত তথ্যাদি দুটি অংশে দুভাবে সন্নিবেশিত থাকে। পাতাটির উপরের অংশে পাসপোর্ট নম্বর, মেয়াদ’ বাহকের নাম, জন্ম তারিখ, জন্মস্থান, ইস্যুকারী সংস্থা, বাহকের ছবি, আঙ্গুলের ছাপ/ স্বাক্ষর এমনভাবে মেশিনের মাধ্যমে সন্নিবেশন করা হয় যা খালি চোখে পড়া যায় না। নিচের অংশে ঐ তথ্যগুলোই এনকোডেড অবস্থায় সন্নিবেশিত হয় যা শুধু সুনির্দিষ্ট মেশিনের মাধ্যমে পড়া যায়। বাহকের ব্যক্তিগত তথ্যাদি সম্বলিত উক্ত পাসপোর্টের পাতাটি ‘বায়োডাটা পেজ হিসেবে পরিচিত।  বায়োডাটা পেজে পাসপোর্ট বাহকের তথ্য সন্নিবেশনের জন্য আইসিএও এর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। সেসব নির্দেশনা অনুসরণ করেই মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট প্রস্তুত করা হয়।

আবেদন করা যাবে যেখানে
ক্রমিক আবেদন গ্রহণকারী আঞ্চলিক যে সকল জেলার নাগরিকগণ আবেদন দাখিল
নং পাসপোর্ট অফিসের নাম করতে পারবেন-
১. আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদী, মুন্সীগঞ্জ,
আগারগাঁও ঢাকা। মানিকগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ জেলা।
২.  আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর,
ময়মনসিংহ। নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলা।
৩.  আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস,  চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও
চট্টগ্রাম কক্সবাজার জেলা।
৪.  আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী
কুমিল্লা। ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা।
৫.  আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ
সিলেট। জেলা।
৬.  আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর,
রাজশাহী। সিরাজগঞ্জ, পাবনা, জয়পুরহাট ও বগুড়া জেলা।
৭.  আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা,
বরিশাল। পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলা।
৮.  আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস,  রংপুর, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও,
রংপুর। নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, লালমনিহাট ও গাইবান্ধা জেলা।
৯.  আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস,  যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর,
যশোর। চুয়াডাঙ্গা, মাগুরা, নড়াইল, খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলা।
১০.  আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস  গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, ফরিদপুর,
গোপালগঞ্জ। শরীয়তপুর ও রাজবাড়ী জেলা।
এমআরপি-এর শ্রেণী অনুযায়ী প্রাপ্যতা

পাসপোর্টের ফি
অর্ডিনারি  ৬০০০/- সাধারণ নাগরিক  ৩০০০/-টাকা

এমআরপির সাধারণ বৈশিষ্ট্য
ক্রমিক নং পাসপোর্টের শ্রেণী রঙ পাতার সংখ্যা মেয়াদ
১. অর্ডিনারি সবুজ ৪৮ ৫ (পাঁচ) বছর
২. অফিসিয়াল নীল ৪৮ ৫ (পাঁচ) বছর
৩. কূটনৈতিক লাল ৪৮ ৫ (পাঁচ) বছর

অনলাইনে মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের আবেদন করার পদ্ধতি
ভোগান্তি কমাতে সম্প্রতি অনলাইনে মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের আবেদন করার পদ্ধতি চালু করেছে সরকার। ঘরে বসেই কম্পিউটারে আবেদন করা যাবে। শুধু আঙুলের ছাপ দিতে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে যেতে হবে। জেনে নিন বিভিন্ন ধাপ-

১) প্রথমে www.passport.gov.bd সাইটে প্রবেশ করতে হবে। হোমপেজে দেওয়া প্রয়োজনীয় শর্তাবলি ভালোভাবে পড়ে নিচের দিকে ও I have read the above information and the relevant guidance notes -এর বাম পাশের ঘরে টিক চিহ্ন দিয়ে continue to online enrolement–এ ক্লিক করতে হবে।

২) নতুন একটি পেজে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন তথ্য চাইবে। প্রথমে Applying in -এর পাশের ঘরে আপনি কোন দেশ থেকে পাসপোর্টের আবেদন করছেন সেটি নির্বাচন করে দিতে হবে। এরপর পাসপোর্টটির ধরন যেমন অর্ডিনারি, ডিপ্লোম্যাটিক বা অফিসিয়াল এবং Delivery Type -এর ঘরে পাসপোর্টটি রেগুলার নাকি এক্সপ্রেস সেটি নির্বাচন করে দিতে হবে।

৩) Personal Information সেকশনে আবেদনকারীর কিছু ব্যক্তিগত তথ্য দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সঠিকভাবে নাম, পিতা-মাতার নাম ও পেশা, জাতীয়তা, স্বামী বা স্ত্রীর নাম [যদি থাকে] ও পেশা, আবেদনকারীর বৈবাহিক অবস্থা, পেশা, জন্মগ্রহণকারী দেশের নাম ও জেলার নাম, জন্ম তারিখ, লিঙ্গ, জন্ম পরিচয়পত্র ও জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর [যদি থাকে], উচ্চতা, ধর্ম ও ই-মেইল ঠিকানা দিতে হবে। Citizenship Information সেকশনে জাতীয়তা, জাতীয়তার ধরন ও এক বা একাধিক নাগরিকত্ব রয়েছে কি-না সেটি উল্লেখ করতে হবে। একেবারে নিচের দিকে পোস্ট অফিস, থানা ও জেলা সহকারে বর্তমান ঠিকানা ও স্থায়ী ঠিকানা প্রবেশ করাতে হবে।  তথ্যগুলো ভালোভাবে দেখে  পরবর্তী পেজে যাওয়ার আগে  Save & Next বাটনে ক্লিক করতে হবে।

৪)  পরবর্তী পেজে অ্যাপ্লিকেশন আইডি বা আবেদন ফরম নম্বর দেওয়া হবে। এ ছাড়া ই-মেইলে অ্যাপ্লিকেশন আইডিসহ একটি পাসওয়ার্ড দেওয়া হবে। এটি সংরক্ষণ করতে হবে। এ ছাড়া নিচের দিকে Applicant Contact Information সেকশনে অফিস, বাসা বা আবেদনকারীর নিজস্ব সেলফোন নম্বর দিতে হবে। এর নিচে mergency Contact Person’s Details সেকশনে পরিচিত একজনের নাম-ঠিকানাসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে।

৫) নিচের দিকে Passport Information সেকশনে আবেদনকারীর আগে কোনো পাসপোর্ট থাকলে তার তথ্য প্রদান করতে হবে। Payment Information সেকশনে পাসপোর্ট আবেদনের চার্জ প্রদানের প্রয়োজনীয় তথ্য চাইবে। এখানে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেওয়া টাকার পরিমাণ ও রশিদ নম্বর দিতে হবে। Foreign Mission- -এর ঘরে আবেদনকারী কী জন্য বিদেশে ভ্রমণ করবেন তার উদ্দেশ্য বর্ণনা করতে হবে। প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান শেষ হলে Save & Next বাটনে ক্লিক করতে হবে।

৬) পরবর্তী পেজে আবেদনকারীর পূর্ণাঙ্গ আবেদনপত্রটি প্রদর্শিত হবে। শেষবারের মতো সব ঠিক আছে কি-না তা দেখে নিতে হবে। সঠিক থাকলে নিচের দিকে Save বাটনে ক্লিক করতে হবে। চূড়ান্ত আবেদনপত্রটি প্রিন্ট করে নিতে হবে। এ ছাড়া ই-মেইলে দেওয়া আবেদনপত্রের নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে পরে আবেদনপত্রটি প্রিন্ট করা যাবে। প্রিন্ট করা আবেদনপত্রটি সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে আবেদন চার্জসহ জমা দিতে হবে। একইসঙ্গে আঙুলের ছাপটি দিয়ে আসতে হবে।

দরকারি সাইট
মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের আবেদন ফরম পাওয়া যাবে নিচের লিংকে-
http://www.dip.gov.bd/sites/default/files/MRP%20Application%20Form-combined1%2028-10-10.pdf

MRP Passport Application Form.pdf    100.96 KB
Additional Information Endoresment Form .pdf    977.25 KB
Correction form.doc    85 KB
NOC.doc    22.5 KB
MACHINE READABLE VISA FORM.pdf    121.53 KB

মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের আবেদন ফরম ছাড়াও এডিশনাল  ইনফরমেশন এনডোর্সমেন্ট ফরম, সংশোধনী ফরম, মেশিন রিডেবল ভিসার জন্য ক্লিক করতে পারেন নিচের লিংকে-
http://www.dip.gov.bd/?q=node/55

Share and Enjoy !

0Shares
0 0

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*