প্রচ্ছদ > অর্থ-বাণিজ্য > এলসি খুলবেন কিভাবে?
এলসি খুলবেন কিভাবে?

এলসি খুলবেন কিভাবে?

ব্যবসার প্রয়োজনে দেশের বাইরে থেকে পণ্য আনার জন্য করতে হয় ‘এলসি’। বিষয়টি অনেকের কাছেই জটিল মনে হয়। আসলে তা নয়। জানাচ্ছেন কিঙ্কর আহসান

এলসি করতে কম্পানির ট্রেড লাইসেন্স, টিন নম্বর লাগে। কম্পানির নামে খুলতে হয় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট। ব্যাংক থেকে এলসির ফরম নিয়ে পূরণ করে জমা দিতে হবে। কোন পণ্য আনা হবে, দাম কত, কোন দেশ থেকে আসবে-দিতে হবে এসব তথ্য। ব্যবসায়ী আতিকুর রহমান বলেন, ‘এলসি করার জন্য যেসব পণ্য আনা হবে তার তালিকা (ইনডেন্ট) করতে হবে প্রথমে। দেশটির বাংলাদেশ প্রতিনিধির কাছ থেকে পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করে আনতে হবে ডকুমেন্ট। যদি সে দেশে প্রতিনিধি না থাকে, তবে কম্পানিতে মেইল করে দাম ঠিক করে ডকুমেন্ট আনাতে হবে। এতে পণ্যের বিস্তারিত বিবরণ, পণ্যের মূল্য, পোর্ট অব শিপমেন্ট-এসব তথ্য থাকে।’

প্রয়োজন দরকারি সব তথ্য
শুরুতে ব্যাংক থেকে এলসির (লেটার অব ক্রেডিট) আবেদন ফরম সংগ্রহ করে ইনডেন্ট অনুযায়ী পূরণ করে জমা দিতে হবে। ফরমের সঙ্গে লাগবে আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিন), ইমপোর্ট রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (আইআরসি), ইনডেন্ট, কম্পানির ব্যাংক ক্রেডিট রিপোর্ট, ইনসু্যরেন্সের কাগজপত্র। টাকা জমা দেওয়ার পর ব্যাংক এলসির একটা কপি দেবে এবং আসলটা পাঠিয়ে দেওয়া হবে বিদেশি সরবরাহকারীর কাছে।

আইআরসি করতে
আইআরসির জন্য মতিঝিলের এক্সপোর্ট ও ইমপোর্ট বিভাগের প্রধান নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে ফরম নিতে হয়। এ সময় জমা দিতে হয় কম্পানির ট্রেড লাইসেন্স, টিন, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও নির্ধারিত ফি।

নিরাপত্তা দেবে এলসি
অর্থের নিরাপত্তার জন্য চালু আছে প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন (পিএসআই) প্রক্রিয়া। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক ১ শতাংশ টাকা কেটে পিএসআই কম্পানিকে দেয়। এ ক্ষেত্রে শিপমেন্ট হবে পণ্য পরীক্ষা করে সনদ দেওয়ার পর। নম্নিমানের পণ্য সরবরাহ করা হলে সরবরাহকারীর লোকাল এজেন্ট বরাবর লিখিত অভিযোগ করতে হবে। সার্ভেয়ার পণ্য পরীক্ষা করে রিপোর্ট দেবে। রিপোর্টে অভিযোগ প্রমাণ হলে ব্যাংকের মাধ্যমে সরবরাহকারীর কাছ থেকে টাকা ফেরত আনার আবেদন করলে হতে পারে সমস্যার সমাধান।

Share and Enjoy !

0Shares
0 0

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*