প্রচ্ছদ > শিক্ষা > ফিচার > ইউজিসি’র গুরুত্বপূর্ণ সভায় ববি উপাচার্য ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন
ইউজিসি’র গুরুত্বপূর্ণ সভায় ববি উপাচার্য ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন

ইউজিসি’র গুরুত্বপূর্ণ সভায় ববি উপাচার্য ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন

অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমের বর্তমান অবস্থা এবং এ ব্যবস্থাকে কিভাবে আরও কার্যকর করা যায় সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত ভার্চুয়াল সভায় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন। আজ ১৫ অক্টোবর আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শহীদুল্লাহ। ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, সমগ্র জাতি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা চাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দরকার।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আব্দুস সোবহান, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সত্য প্রসাদ মজুমদার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীন আক্তার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদসহ ৪৬ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণ এ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন শিক্ষাকার্যক্রম বেগবান করা এবং শিক্ষার্থীদের পাঠক্রমে বেশি মাত্রায় সম্পৃক্ত করার জন্য উপাচার্য মহোদয়দের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন। এছাড়া, শিক্ষার্থীদের বিনাসুদে স্মার্টফোন ও বিনামূল্যে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ প্রদানে ইউজিসি’র উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস পরিচালনা নিয়ে উপাচার্যদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় জানানো হয়। দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা বিষয়ে আগামী ১৭ অক্টোবর (শনিবার) বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভায় নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। তবে, ইউজিসি’র চাওয়া ভর্তি পরীক্ষা যেন কোনক্রমেই প্রশ্নবিদ্ধ না হয়।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের মতে, করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনা করে এখনই বিশ্ববিদ্যালয় খোলা মোটেও সমীচিন হবে না। হল খোলা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে। বিশ্বের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার উদাহরণ তারা সভায় তুলে ধরেন।

ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. দিল আফরোজা বেগমের সঞ্চালনায় সভায় কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর, অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ, অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের, কমিশনের সচিব (অ.দ.) ড. ফেরদৌস জামান, জনসংযোগ ও তথ্য অধিকার বিভাগের পরিচালক ড. শামসুল আরেফিন ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক মো. কামাল হোসেন সভায় উপস্থিত ছিলেন।

Share and Enjoy !

0Shares
0 0

Comments

comments

Comments are closed.